১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,সন্ধ্যা ৭:০৪

শিরোনাম
গুম-খুনের রাজনীতির শুরু জিয়ার হাতেই -তথ্যমন্ত্রী দেশবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে -শ ম রেজাউল করিম অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের গৌরব সমুন্নত রাখতে সাংস্কৃতিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে :টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজনৈতিক সরকারের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে সমন্বয়ের দায়িত্বে সচিববৃন্দ -তথ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকলে দলকে বেশি দায়িত্ববান হতে হয় -ড. হাছান মাহমুদ ক্ষমতা নিষ্কন্টক করতে জিয়াউর রহমান হাজার হাজার বৃক্ষও ধ্বংস করেছেন -তথ্যমন্ত্রী দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র-তৎপরতা বাড়াতেই খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে চেয়েছিল বিএনপি -তথ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘মাইনাস’ করার জন্যই কি বিদেশে নেয়ার আবেদন! তথ্যমন্ত্রী যা বললেন বিষোদগার নয়, একসাথে মানুষের পাশে -তথ্যমন্ত্রী

গুম-খুনের রাজনীতির শুরু জিয়ার হাতেই -তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২১

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানই দেশে গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেন এবং সেই ধারা বেগম জিয়াও অব্যাহত রেখেছেন।

সোমবার বিকেলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট- পিআইবি আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে তার বাসভবনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর গুমের রাজনীতি শুরু হয়েছে’ এর জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জিয়া তার ক্ষমতা নিষ্কন্টক করতে সেনাসদস্যসহ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন। কারাগার থেকে ধরে নিয়ে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ফখরুল সাহেব, রিজভী সাহেবদের মনে রাখা উচিত জিয়াউর রহমানের হাতে কত মানুষ গুম হয়েছে।’

ড. হাছান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত জিয়া ক্ষমতা দখলের পর যে খুনের রাজনীতি করেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী তৎকালীন ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ বাবু, চট্টগ্রামের মৌলভী সৈয়দও রেহাই পাননি। তাই তার দলের নেতাদের মুখে গুম নিয়ে কথা শোভা পায় না।’

এর আগে অনলাইন সেমিনারে মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য তথ্য উদঘাটনে সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখতে আহবান জানান। তিনি বলেন, ‘শুধু গুটিকতক বিপথগামী সেনাসদস্যই বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ঘটায়নি, এর পেছনের মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিল খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান। এছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুণর্গঠনের সময় ঈদের জামাতে আওয়ামী লীগের পাঁচজন সংসদ সদস্যকে হত্যা, বাসন্তীকে জাল পরিয়ে অভাবের বানোয়াট ছবি প্রচার, পাটের গুদামে আগুন দেয়াসহ দেশবিরোধী নানা চক্রান্ত এবং দেশের স্বার্থে বাকশাল গঠনের সত্যিকার পটভূমি মানুষের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।’ একাত্তর-পঁচাত্তরের সময়ের সাংবাদিকরা যারা জীবিত রয়েছেন, তাদের বক্তব্য সংরক্ষণের জন্য এসময় প্রেস ইনস্টিটিউটকে নির্দেশনা দেন তথ্যমন্ত্রী।

পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন, বিশেষ বক্তা হিসেবে ইতিহাসের অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম, ড. মোহাম্মদ হান্নান প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

  • শেয়ার করুন