ঢাকামঙ্গলবার , ২১ জুন ২০২২
সর্বশেষ সংবাদ

ধুনট বিলচাপড়ী ইউনাইটেড দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক-এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ।

জেলা প্রতিবেদক; বগুড়া।
জুন ২১, ২০২২ ৩:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ী ইউনাইটেড দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম পিতা আব্দুল আকন্দ গ্রাম বিলচাপড়ী, অফিস সহকারী মোঃ আতিকুল ইসলাম পিতা মোঃ মাহফুজুর রহমান গ্রাম বিলচাপড়ী গনের বিরুদ্ধে বর্তমান এস এস সি পরীক্ষার্থীনির পিতা মোঃ শাহাদৎ হোসেন কর্তৃক ধুনট থানায় ও নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,মোছাঃ সুমাইয়া খাতুন বিলচাপড়ী ইউনাইটেড দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত ছাত্রী হওয়া সত্যেও তাহার নিকট হতে রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ প্রথমে ৮৫০ টাকা পরবর্তীতে ১৭৫০ টাকা এবং ফরমফিলাপ বাবদ ৩০০০ টাকা গ্রহন করেন। ১৯ শে জুন এস এস সি পরীক্ষার্থিনী ২০২২ ইংতে শুরুর তাং হওয়ায় ১৮ ই জুন ২০২২ইংতে বিলচাপড়ী ইউনাইটেড দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে ঐ ছাত্রী তার এডমিড কার্ড প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম এর নিকট চাইলে তিনি বলেন তোমার কোন এডমিড কার্ড আসেনি এবং তোমার নামে কোন ফরমফিলাপ করা হয়নি। একথা শুনে ঐ ছাত্রী কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ী ফিরে এসে তার বাবা মা সহ পরিবারকে অবহিত করলে ছাত্রীর বাবা মোঃ শাহাদত হোসেন সহ তার ভাই মোঃ রেজাউল করিম পিতা মোঃ জাবেদ আলী প্রাং গ্রাম রামনগর থানা ধুনট জেলা বগুড়া সাথে নিয়ে অত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক এর বাড়িতে ১৮ ই জুন ২০২২ ইং তে বিকালে গিয়ে দেখা করে বলেন আমার মেয়ের এডমিড কার্ড দিন তখন বিভিন্ন ধরনের আবোল তাবোল কথাবার্তা বলেন এবং একপর্যায়ে চাপেরমুখে তিনি ভূল শিকার করে বলেন আপনার মেয়ে এস এস সি ২০২২ ইং তে পরীক্ষা দিতে পারিবে না তখন আমি বিষয়টি ধুনট থানা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করি। ইতিমধ্যে দেশের সিলেট জেলা সহ বিভিন্ন জেলায় বন্যার কারনে সরকার এস এস সি পরীক্ষা স্থগিত করেন।
ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ধুনট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর সহ সাংবাদিকদের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। এবিষয়ে বিলচাপড়ী ইউনাইটেড দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলে তিনি তার ভূল স্বীকার করে বলেন ঐ ছাত্রী এস এস সি ২০২২ ইংতে পরীক্ষা দিতে পারবে ইতিমধ্যে তার সকল কাগজপত্র রাজশাহী বোর্ডের নিকট হইতে আমরা সংগ্রহ করতে চলেছি মানুষ মাত্র ভুল হয় আমাদেরও ভুল ছিল যার কারনে এধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে আমরা ঐ ছাত্রী সহ তার অভিভাবককে এ বিষয়াদি আশ্বস্থ করে জানিয়ে দিয়েছি। ধুনট থানা এস আই অমিত বিশ্বাস আমাদের নিকট আসিয়াছিল একই কথা তাকেও বলে দিয়েছি।

ঐ এস এস সি পরিহ্মার্থীনীর পিতা দাবী করে বলেন, যদি ১৯শে জুন এস এস সি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো তাহলে কি আমার মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারতো পারতো না। তাহলে এধরনের ভুল একজন শিক্ষক কি করে করতে পারে এবং তার খেসারত হিসেবে আমার মেয়ের জীবন ছিন্নভিন্ন হতো এটা কখনোই কাম্য নয় বলে দাবি জানান অত্র এলাকার অভিভাবকবৃন্দ। অবশেষে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকা শিক্ষকদের বিচার দাবি করেন।