ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
সর্বশেষ সংবাদ

নোয়াখালীর মেঘনা নদীতে জলদস্যুর গুলিতে ২ জেলে সহ ৫ জন গুলিবিদ্ধ

জিএম হায়দার চৌধুরী।।
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৩ ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে
জলদস্যুর গুলিতে ২ জেলে সহ ৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। মেঘনা নদীর স্বর্ণদ্বীপের পশ্চিমে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ জেলেরা হলেন- নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ গ্রামের ভুলু মাঝির ছেলে জিল্লুর রহমান (৩২) ও একই উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর তোরাব আলী গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে নুর আলম মিয়া (৩৫)।

এসময় পাঁচ জেলেকে জলদস্যু অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তারা হলেন- রাজু (১৩),জুয়েল (২৬), আব্দুর রহমান (২২), হোসেন (৪০) ও ইসমাইল (৪০)। আহতদের উদ্ধার করে একই দিন রাত ১১টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, সুবর্ণচর উপজেলার মাইন উদ্দিন মাঝি ও অলি মাঝি মেঘনা নদীর স্বর্ণদ্বীপের পশ্চিমে সন্দ্বীপ অংশ থেকে দীর্ঘ দিন থেকে মাছ শিকার আসছেন। কিছু দিন আগে থেকে মেঘনা নদীর মাছ শিকারের এ স্থান দখলের চেষ্টা চালায় জলদস্যু কেফায়েত বাহিনী।

বুধবার বিকেলের দিকে কেফায়েত বাহিনী ওই স্থান দখল করতে জেলেদের জাল কেটে দেয়। খবর পেয়ে দুটি মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে সেখানে যান ভুক্তভোগী জেলেরা। একপর্যায়ে জলদস্যু কেফায়েত বাহিনীর সদস্য আলতাফ, নুর উদ্দিন ও জুয়েল জেলেদের দুটি মাছ ধরার ট্রলারে দুই দফায় হামলা চালিয়ে মাছ, জাল, ট্রলারসহ অন্যান্য মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যান। একপর্যায়ে জলদস্যু বাহিনী গুলি ছুড়লে দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হন।

এসময় দস্যুদের হামলায় আরও তিনজন আহত হন। এসময় পাঁচ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুময়ায়ন কবির জানান, মেঘনা নদীতে গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিসান আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নদীর সীমানা বিরোধের কারনে মাছধরাকে কেন্দ্র করে সুবর্ণচরে দুই পক্ষ নদীতে মারামারি করেছে। পরে কোস্টগার্ড সদস্যরা খবর পেয়ে গিয়ে বিরোধ থামানোর চেষ্টা করছে।